Showing posts with label ঘরোয়া রুপ চর্চা. Show all posts
Showing posts with label ঘরোয়া রুপ চর্চা. Show all posts

Saturday, November 8, 2025

শীতে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল রাখার ১০টি ঘরোয়া উপায়

 


শীত এলেই ত্বক হয়ে যায় রুক্ষ, টানটান আর নিষ্প্রভ। ঠান্ডা বাতাস আর কম আর্দ্রতার কারণে ত্বক তার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে।
তবে চিন্তার কিছু নেই — কিছু সহজ ঘরোয়া যত্নেই আপনি শীতে আপনার ত্বক রাখতে পারেন নরম, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। 🌸



১️.প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন

শীতকালে তৃষ্ণা কম লাগে, কিন্তু শরীর ও ত্বক দুটোই হাইড্রেটেড থাকতে পানি খুব দরকার। আপনি দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস রাখুন।

২️.হালকা গরম পানিতে মুখ ও শরীর ধুয়ে নিন

অনেকেই শীতে গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলেন, এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়। আপনি হালকা গরম (লুকওয়ার্ম) পানি ব্যবহার করুন।

৩️.ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগান

স্নানের পর ত্বক একটু ভেজা থাকা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার লাগান। এতে আর্দ্রতা ত্বকে আটকে থাকবে।
নারকেল তেল, অলিভ অয়েল বা বাদাম তেল দারুণ প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার।

৪️.দুধ ও মধুর ফেস প্যাক ব্যবহার করুন

এক চা চামচ দুধ ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও নরম।

৫. মুখে স্ক্রাব ব্যবহার করুন সপ্তাহে ১–২ বার

শীতে মৃত কোষ জমে ত্বক নিষ্প্রভ লাগে। আপনি মৃদু স্ক্রাব ব্যবহার করে ত্বক পরিষ্কার রাখুন।
ঘরোয়া স্ক্রাব: মধু + চিনি বা ওটস + দুধ।

৬️.রাতে ঘুমানোর আগে লিপ কেয়ার করুন

শীতে ঠোঁট ফাটে সবচেয়ে বেশি। ঘুমানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ঘরোয়া লিপ বাম (মধু + নারকেল তেল) ব্যবহার করুন।

৭️. ঘরের ভেতর আর্দ্রতা বজায় রাখুন

শীতকালে ঘরের বাতাস শুষ্ক হয়। আপনি চাইলে একটা ছোট humidifier ব্যবহার করতে পারেন, বা ঘরে এক বাটি পানি রাখলেও কাজ দেয়।

৮. প্রাকৃতিক তেল দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন

সপ্তাহে ২–৩ দিন অ্যালোভেরা জেল বা বাদাম তেল দিয়ে মুখে হালকা ম্যাসাজ করলে রক্ত চলাচল বাড়ে, ত্বক হয় গ্লোয়িং।

৯️.হেলদি ডায়েট অনুসরণ করুন

আপনি যত্ন নিলেও যদি খাবারে ভিটামিন না থাকে, ত্বক ভালো থাকবে না। ভিটামিন A, C, E যুক্ত খাবার — যেমন গাজর, কমলা, ডিম, কাজুবাদাম খান নিয়মিত।

১০.যথেষ্ট ঘুমান ও মানসিক চাপ কমান

শরীর বিশ্রাম না পেলে ত্বকও ক্লান্ত দেখায়। প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমান এবং স্ট্রেস ফ্রি থাকুন।


 আপনি শীতে গ্লিসারিন ও গোলাপজল মিশিয়ে একটা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার বানিয়ে নিতে পারেন। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং স্কিনকে করে তুলবে মসৃণ ও উজ্জ্বল। 


Sunday, October 19, 2025

ঘরোয়া উপায়ে মুখের দাগ দূর করার ৭টি কার্যকরী উপায়

 



মুখের দাগ বা দাগছোপ আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। এটি হতে পারে ব্রণের দাগ, রোদে পুড়লে হওয়া দাগ, বা বয়সের কারণে তৈরি হওয়া কালো ছোপ। দামী কেমিক্যাল প্রোডাক্ট না ব্যবহার করে আপনি চাইলে ঘরে বসেই প্রাকৃতিক উপায়ে দাগ দূর করতে পারেন। নিচে এমনই ৭টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় তুলে ধরা হলো।

 ১. লেবু ও মধুর প্যাক

উপকরণ:

  • ১ চামচ লেবুর রস

  • ১ চামচ মধু

পদ্ধতি:
উভয় উপকরণ মিশিয়ে মুখে দাগের উপর লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারিতা:
লেবুর ভেতরের ভিটামিন C ত্বক উজ্জ্বল করে এবং দাগ হালকা করে। মধু ত্বক হাইড্রেটেড রাখে।

🔺 সতর্কতা: যাদের সংবেদনশীল ত্বক আছে, তারা আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন।


 ২. আলুর রস

পদ্ধতি:
১টি আলু কেটে এর রস বের করে নিন। তুলোর সাহায্যে রসটি দাগের উপর লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারিতা:
আলুতে থাকা এনজাইম ও স্টার্চ দাগ হালকা করতে সাহায্য করে এবং ত্বক টোন করে।


৩. টমেটোর মাস্ক

উপকরণ:

  • ১ টুকরো পাকা টমেটো

  • কয়েক ফোঁটা লেবুর রস

পদ্ধতি:
টমেটো ম্যাশ করে তাতে লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

উপকারিতা:
টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন, যা স্কিন ব্রাইট করে এবং রোদে পোড়া দাগ হালকা করে।


 ৪. বেসন ও কাঁচা দুধের ফেসপ্যাক

উপকরণ:

  • ২ চা চামচ বেসন

  • ১ চা চামচ কাঁচা দুধ

  • ১ চিমটি হলুদ

পদ্ধতি:
পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারিতা:
বেসন ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, দুধ স্কিন টোন হালকা করে, আর হলুদ অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।


 ৫. অ্যালোভেরা জেল

পদ্ধতি:
তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে মুখে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগান।

উপকারিতা:
অ্যালোভেরা ত্বকের কোষ পুনর্গঠন করে, দাগ হালকা করে এবং স্কিন ঠান্ডা রাখে।


 ৬. মেথির পেস্ট

পদ্ধতি:
রাতে ১ চামচ মেথি ভিজিয়ে রেখে সকালে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারিতা:
মেথি ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং ব্রণের দাগ মুছাতে কার্যকরী।


৭. গোলাপ জল ও চন্দনের গুঁড়া

উপকরণ:

  • ১ চা চামচ চন্দনের গুঁড়া

  • ১ চা চামচ গোলাপ জল

পদ্ধতি:
পেস্ট তৈরি করে দাগের জায়গায় লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

উপকারিতা:
চন্দন স্কিন ব্রাইট করে, গোলাপ জল স্কিনকে টোন করে।

অতিরিক্ত পরামর্শ:

  • প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, কারণ সূর্যের রশ্মি দাগকে আরও গা dark করে তোলে।

  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন ও সুষম খাবার খান।

  • কখনোই মুখে দাগ বা ব্রণ খোঁটাখুঁটি করবেন না।

  • ঘরোয়া টিপস নিয়মিত করতে হবে, তবেই ফল মিলবে।


মুখের দাগ দূর করার জন্য ঘরোয়া উপায়গুলি শুধু সাশ্রয়ী নয়, বরং ত্বকের জন্য নিরাপদও। তবে কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে আগে ছোট করে প্যাচ টেস্ট করে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

Thursday, October 16, 2025

ঘরোয়া উপায়ে মেকআপ রিমুভার বানানোর পদ্ধতি

 


দিনের শেষে মেকআপ পরিষ্কার করা ত্বকের যত্নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

অনেকেই বাজারের মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করেন, কিন্তু তাতে থাকা কেমিক্যাল অনেক সময় ত্বক শুষ্ক বা র‍্যাশ তৈরি করতে পারে।

চিন্তার কিছু নেই — ঘরোয়া উপায়েই আপনি তৈরি করতে পারেন ১০০% প্রাকৃতিক ও ত্বক-বান্ধব মেকআপ রিমুভার।




১. নারকেল তেল ও অ্যালোভেরা জেল রিমুভার


এই মিশ্রণ ত্বককে পরিষ্কার করার পাশাপাশি ময়েশ্চারাইজও করে।


যা লাগবে:

১ টেবিল চামচ নারকেল তেল

১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল



ব্যবহার পদ্ধতি:

দুইটি উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

কটন প্যাডে নিয়ে মুখে হালকা হাতে ঘষে মেকআপ তুলুন।

শেষে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


উপকারিতা: মেকআপের সাথে সাথে ধুলো ও ময়লা দূর হয়, ত্বক থাকে নরম ও মসৃণ।



২. অলিভ অয়েল ও গোলাপ জল রিমুভার


অলিভ অয়েল ত্বকের ময়লা গলিয়ে দেয় আর গোলাপ জল দেয় সতেজ অনুভূতি।


যা লাগবে:

১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল

১ টেবিল চামচ গোলাপ জল



ব্যবহার:

দুই উপাদান মিশিয়ে বোতলে রাখুন। ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন।

কটন প্যাডে নিয়ে মুখে লাগিয়ে ১–২ মিনিট রেখে টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন।


উপকারিতা: সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী, বিশেষ করে ড্রাই স্কিনের জন্য।



৩. দুধ ও মধু রিমুভার (Sensitive Skin এর জন্য)


এই মিশ্রণ ত্বককে কোমল রাখে ও হালকা মেকআপ সহজে তুলে ফেলে।


যা লাগবে:

২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ

১ চা চামচ মধু


ব্যবহার:

মিশিয়ে কটনে নিয়ে মুখে লাগান। ৫ মিনিট পর হালকা ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন।


উপকারিতা: ত্বক পরিষ্কার হয়, একইসাথে ন্যাচারাল গ্লো আসে।



৪. বেবি অয়েল ও অ্যালোভেরা জেল রিমুভার


যারা ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর।


যা লাগবে:

১ টেবিল চামচ বেবি অয়েল

১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল



ব্যবহার:

মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১ মিনিট হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন, তারপর তুলো বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন।




 মেকআপ তোলার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:


✅ চোখের আশেপাশে খুব আস্তে ম্যাসাজ করুন — জোরে ঘষবেন না।

✅ মেকআপ তুলেই মুখ ধুয়ে নিন, যেন কোনো তেল বা অবশিষ্ট না থাকে।

✅ শেষে হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

✅ প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মেকআপ তুলুন।




Tuesday, October 14, 2025

আলুর রস দিয়ে ৫টি ঘরোয়া স্কিন কেয়ার রেসিপি | দাগহীন ও উজ্জ্বল ত্বকের সহজ উপায়

 



আলুর রসে আছে ভিটামিন C, এনজাইম ও স্টার্চ, যা ত্বকের কালচে ভাব, পিগমেন্টেশন ও দাগ দূর করতে সাহায্য করে।


 ১️. আলুর রস ও বেসন ফেস প্যাক


উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ আলুর রস

  • ১ টেবিল চামচ বেসন

  • ½ চা চামচ লেবুর রস

ব্যবহার:

সব উপকরণ মিশিয়ে ফেস প্যাক তৈরি করে মুখে লাগাও।
২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলো।
ত্বক হবে উজ্জ্বল ও দাগহীন, অতিরিক্ত তেল কমে যাবে।তেলতেলে ও দাগযুক্ত ত্বকের জন্য উপযোগী


২️.আলুর রস ও দই ফেস প্যাক

উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ আলুর রস

  • ১ টেবিল চামচ টক দই

  • ১ চা চামচ মধু

ব্যবহার:

সব উপকরণ মিশিয়ে মুখে লাগাও।
১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলো।
ত্বক হবে ময়েশ্চারাইজড, মসৃণ ও গ্লোয়িং।শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের জন্য পারফেক্ট


 ৩️.আলুর রস ও গোলাপজল টোনার

উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ আলুর রস

  • ১ টেবিল চামচ গোলাপজল

ব্যবহার:

মিশিয়ে স্প্রে বোতলে রাখো।
প্রতিদিন মুখ ধোয়ার পর কটন দিয়ে লাগাও।
ত্বক ঠান্ডা, ফ্রেশ ও টাইট দেখাবে।প্রতিদিনের স্কিন কেয়ার রুটিনে ব্যবহারের জন্য উপযোগী


 ৪️.আলুর রস ও অ্যালোভেরা জেল ফেস সিরাম

উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ আলুর রস

  • ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল

  • ২ ফোঁটা ভিটামিন E তেল

ব্যবহার:

সব উপকরণ মিশিয়ে সিরাম তৈরি করো।
রাতে ঘুমানোর আগে লাগাও, সকালে ধুয়ে ফেলো।
ত্বক হবে উজ্জ্বল, মসৃণ ও ব্রণর দাগ হালকা।দাগ ও ট্যান দূর করে ন্যাচারাল গ্লো আনে


৫. আলুর রস ও শসা প্যাক

উপকরণ:

  • ২ টেবিল চামচ আলুর রস

  • ২ টেবিল চামচ শসার রস

ব্যবহার:

মিশিয়ে তুলার বল দিয়ে মুখে লাগাও।
১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলো।
ত্বকের ট্যান কমে যাবে, ফ্রেশ অনুভব করবে।সানট্যান বা রোদে পোড়া ত্বকের জন্য আদর্শ



Saturday, June 28, 2025

ব্রণ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়



ব্রণ সমস্যার ঘরোয়া সমাধান

বিভিন্ন ফল ও ভেষজ উপাদানের প্রাকৃতিক প্যাক ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। আসুন জেনে নেই ব্রণ দূর করার ঘরোয়া উপায়-


অ্যালোভেরা-হলুদ প্যাক:
অ্যালোভেরা এনজাইম, পলিসেকারিডস এবং পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। যা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল হিসেবে কাজ করে। অ্যালোভেরা প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের বিষাক্ত উপাদান দূর করে এবং ত্বকে পুষ্টি জোগায়, কোমলতা আনে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে। হলুদে প্রদাহ প্রতিরোধী উপাদান রয়েছে যা ত্বকে ভালো রাখে। এক টেবিল চামচ হলুদ, মধু, দুধ এবং কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মেশাতে পারেন। এই মিশ্রণটি এবার অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে মিশিয়ে আক্রান্ত ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

 টক জাতীয় ফলের প্যাক:
লেবু, কমলার মতো টক জাতীয় ফলে অ্যাস্ট্রিনজেন উপাদান রয়েছে। যা ত্বকের ব্যাকটেরিয়া কমায় এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে। এই ফলের রস মুখে ঘষে ঘরে লাগানোর পর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর উষ্ণ পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

দুধ:
চর্বির উপাদানের কারণে এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য উপকারী। তৈলাক্ত ত্বকে দুধের ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হয়।

মধু:
এটি ত্বকে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। সব ধরনের ত্বকের জন্যই এটি উপযোগী। 

শসা:
শসার নানা গুণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা অবশ্যই ত্বকের কাজে লাগা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ই। এর প্রতিটিই ত্বকের জন্য মারাত্মক ভালো। শসা থেঁতো করে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। এছাড়াও শসা গোল গোল করে কেটে অন্তত একঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি খেয়েও নিতে পারেন, বা ওই পানি দিয়ে মুখও ধুয়ে নিতে পারেন।

টুথপেস্ট:
ফেসপ্যাকের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন টুথপেস্ট। মুখের অতিরিক্ত তেল টেনে নেওয়ায়র ক্ষমতা আছে এই পেস্টের। ফলে তৈলাক্ত ত্বকের কারণে যাদের মুখে ব্রণ বা গোটা বের হয়, তারা টুথপেস্ট ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন।

গ্রিন টি:
গ্রিন টি গোটা বা ব্রণের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরী। গরম পানি গ্রিন টি বানান। তারপর সেই গ্রিন টি একদম ঠাণ্ডা করে ব্রণ বা গোটার জায়গায় ব্যবহার করুন। তুলায় ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ভালো করে ত্বকের ওপর মিশতে পারবে চায়ের মিশ্রণটি। যদি টি ব্যাগট থেকে গ্রিন টি বানান, তাহলে ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগটিও রাখতে পারেন ত্বকের ওপর। মিনিট ২০ রাখার পর ধুয়ে নিন। 

অ্যাসপিরিন:
খাওয়ার ওষুধ হিসেবেই নয়, ব্রণ বা গোটা সারাতেও এই ওষুধের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ব্রণ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে দেয়। চার-পাঁচটা ট্যাবলেট প্রথমে গুঁড়িয়ে নিন। তারপর সেগুলো অল্প পানির সঙ্গে মেশান। এমনভাবে মেশাবেন, যাতে একটা পেস্ট তৈরি হয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে পেস্ট আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক খুব স্পর্শকাতর হলে, কয়েক মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে নিতে পারেন। 

রসুন:
রসুন ব্রণের বড় শত্রু। এটি ব্যবহার করাও খুব সহজ। এক-দুই কোয়া রসুন দুই টুকরা করে কেটে নিন। তারপর ব্রণের জায়গায় রসটা লাগান। মিনট পাঁচেক পরে ধুয়ে ফেলুন।লেবুর 


রস:
তুলায় করে লেবুর রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে নিতে পারেন। লেবুর রসের সঙ্গে দারুচিনির মিশ্রণ তৈরি করে, রাতে শুতে যাওয়ার আগে সেটা ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নেবেন।

Wednesday, June 25, 2025

সবজি কাটার পর হাতের কালো উঠানোর উপায়




অলিভ অয়েলঃ

কিছু সবজি রয়েছে যা কাটলে হাতে দাগ পড়ে। পরে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এমনটা হলে বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার দরকার নেই। স্বাভাবিক পানিতে ভালো করে ধুয়ে অলিভ অয়েল লাগান। এক দুই বার তেল লাগালেই দাগ দূর হবে। সেসঙ্গে ত্বক হবে নরম।

ভ্যাসলিন লাগানঃ
সবজি কাটলে হাতে রুক্ষতা দেখা দিলে এবং দাগ পড়লে ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন। রাতে ঘুমানোর আগে হাতে ভ্যাসলিন ম্যাসেজ করুন। সকালে হাত নরম ও কোমল হয়ে যাবে।

সরিষার তেলঃ
অনেক সবজি কাটলে চুলকানি ও ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এক্ষেত্রে আগে হাতে সরিষার তেল মেখে নিন, এরপর কাটুন। এতে চুলকানি সমস্যা হবে না। হাতের ত্বকও থাকবে ভালো।

দই ও ওটমিলের স্ক্রাবঃ
কেবল মুখ নয়, হাতের জন্য স্ক্রাব জরুরি। সামান্য ওটমিল আর দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি দিয়ে স্ক্রাব করুন। এতে ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে। ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে।

গ্লিসারিনযুক্ত সাবানঃ 
হাত ধোয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এক্ষেত্রে ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। গ্লিসারিনযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। এতে হাত কম শুকাবে। ফাটল সৃষ্টি হবে না। ফলে হাতে কালচে দাগও পড়বে না।

হাতের যত্নে এসব প্রাকৃতিক উপায়গুলো কাজে লাগান।

Sunday, June 22, 2025

আলুর রস ফেসপ্যাক

 



আলুর রস দিয়ে ফেসপ্যাক: ত্বক উজ্জ্বল ও দাগহীন করার ঘরোয়া উপায়

উপকরণ:

  • ১টি মাঝারি সাইজের আলু

  • তুলো বা ফেস ব্রাশ
    (ইচ্ছা করলে মধু, লেবুর রস বা দুধ মেশাতে পারেন)

তৈরি ও ব্যবহার পদ্ধতি:

  1. আলু খোসা ছাড়িয়ে গ্রেট করুন (কুঁচি করে নিন)।

  2. একটি পরিষ্কার কাপড়ে বা ছাঁকনিতে রেখে চাপ দিয়ে রস বের করুন।

  3. তুলো বা আঙুল ব্যবহার করে সেই রস মুখে ও গলায় লাগান।

  4. ১৫–২০ মিনিট রেখে দিন।

  5. তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং ময়েশ্চারাইজার লাগান।

ফেসপ্যাক রেসিপি (সাথে অন্য উপাদান মিশিয়ে):

১. আলুর রস + মধু:

  • ত্বক হাইড্রেটেড ও সফট করতে

২. আলুর রস + লেবুর রস:

  • দাগ, পিগমেন্টেশন ও ট্যান দূর করতে (তেলতেলে ত্বকে ভালো)

৩. আলুর রস + দুধ:

  • ফর্সা ও মসৃণ ত্বকের জন্য

Saturday, June 21, 2025

ত্বকের যত্নে অলিভ ওয়েল

                        


অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ত্বকের নিয়মিত যত্নে তেলটি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। নানান ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এই তেল আমাদের মুখে বয়সের ছাপ দূর করতেও কাজ করে।

ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা:

আমাদের ত্বকে পানির পরিমাণ কমে গেলে ত্বক রুক্ষ হতে শুরু করে। নিয়মিত অলিভ ওয়েলের ব্যবহার এই ঘাটতির আশঙ্কা দূর করে। প্রচুর ভিটামিন এ ও ই-এর পাশাপাশি এই তেলে ভিটামিন ডি ও কে থাকে, যা ত্বকের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশকেও সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেয়। তাই এটিকে সরাসরি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে বা ক্রিমের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু ঠিক করতে:

কনুই বা হাঁটুর ছিলে যাওয়া চামড়া অথবা কোনো হালকা আঘাতে অলিভ ওয়েল ব্যবহার বেশ কার্যকরী। পাশাপাশি মুখের ব্রণ রোধেও ভূমিকা রাখে এটি। ব্রণের জন্য দায়ী বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার সৃষ্টিতে বাধা দেয় তেলটির বিভিন্ন উপাদান। রোজাসিয়া ও সোরিয়াসিসের মতো রোগগুলোকেও বেশি বাড়তে দেয় না এটি।

মুখের সজীবতায়:

আমাদের ত্বকের অন্যতম উপাদান কোলাজেনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে অলিভ ওয়েল। তাছাড়া এতে থাকা অলিক এসিড ত্বকের নতুন কোষ জন্মাতে সাহায্য করে, মুখের ত্বককে করে তোলে আরও নরম, এনে দেয় মুখের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

বয়সের ছাপ দূর করতে:

সময়ের সঙ্গে মুখে-শরীরে বয়সের ছাপ পড়া স্বাভাবিক ব্যাপার। তার সঙ্গে যদি যুক্ত হয় দূষিত পরিবেশ, মানসিক চাপ বা অন্য কোনো কারণ, তাহলে তো কথাই নেই। আর এর সমাধানেও আছে অলিভ ওয়েলে। এই তেলে পলিফেনল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা বয়স্ক হওয়ার জন্য দায়ী ফ্রি র‍্যাডিকেল তৈরি হতে দেয় না। পাশাপাশি সূর্যের আলো থেকেও মুখকে সুরক্ষা দেয়।

ত্বক পরিষ্কার রাখতে:

প্রতিনিয়তই আমাদের ত্বককে পরিষ্কার রাখতে হয়। অলিভ ওয়েল সেই নিয়মিত কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। মুখ থেকে মেকআপ বা সানস্ক্রিন ক্রিম তোলার ক্ষেত্রে তেলটি কাজে দেবে। মেকআপ তোলার জন্য বিভিন্ন সামগ্রী বাজারে পাওয়া গেলেও, এগুলোতে মুখের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু অলিভ ওয়েল সরাসরি বা প্যাডে মেখে মুখে লাগালে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই থাকে না।

                       

Monday, July 29, 2024

রাতের বেলায় রূপচর্চা

রাতের বেলায় রূপচর্চার জন্য রুটিন অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল। যেমন- বয়স, ঋতু, আবহাওয়া, বাতাসের আর্দ্রতা ইত্যাদি।
সুন্দর ত্বকের মূলমন্ত্রই হলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। ত্বকের ময়লা ঠিকমত পরিষ্কার করা না হলে ব্রণ হতে পারে। ত্বক হয়ে পড়ে খসখসে, রুক্ষ ও অমসৃণ। তাই রাতে ঘুমানোর আগে মুখটাকে পরিষ্কার করে ঘুমালে সারা রাতের লম্বা সময় ত্বক হয়ে উঠবে একেবারে তরতাজা। আমাদের গরমের দেশে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ায় ত্বক তেলতেলে ও আর্দ্র হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে মৃদু সাবান ও পানি দিয়ে মুখ ধোয়া খুব ভালো। অবশ্য শুষ্ক ত্বকে সাবানের বদলে ক্লিঞ্জিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা উচিত ভিজে তুলো।

ধাপ-১  প্রথমে মুখ ধুয়ে নিন আপনার ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় এমন কোনো ফেইসওয়াশ দিয়ে। স্পর্শকাতর ত্বক হলে ব্যবহার করতে পারেন ভেষজ ফেইসওয়াশ।

ধাপ-২ এরপর ব্যবহার করুন ফেইসপ্যাক। ঘরেই তা বানাতে পারেন।

শুষ্ক ত্বকের জন্য -১ চা চামচ টকদই এবং ১ চা চামচ দুধের সর বা দুধ মিশিয়ে।

তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের জন্য

১ টেবিল চামচ উপটান এর সাথে ১ চা চামচ টকদই ও ১ চা চামচ লেবুর রস।

এগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। পুরোটা শুকাবেন না, অর্ধেক শুকিয়ে এলে মুখ হালকা ঘষে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকে মেশাতে পারেন গোলাপজল, যা সব ধরনের ত্বকের জন্য ভালো।

ধাপ-৩-ময়েশ্চারাইজার হিসেবে শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা ভেজা মুখে স্রেফ ২-৩ ফোঁটা যে কোনো বেবি অয়েল মেখে নিন। তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করাই উচিত।

রাত্রে লাগানোর ক্রিম ভিটামিন ই যুক্ত হলে উপকার হয়। কারণ ভিটামিন ই ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখে। এছাড়া ক্রিমের মধ্যে এই ভিটামিন মেশানো থাকলে, ক্রিমটি অনেকদিন পর্যন্ত ভালো ও ব্যবহারযোগ্য থাকে। ভালো কোম্পানির ওভারনাইট ক্রিম সব বয়সের জন্যই ভালো। বিদেশী নারিশিং ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো। বিদেশী ক্রিমে থাকে কোলাজেন ও ইলাসটিন যা ত্বকের কোষগুলোকে নতুনভাবে কার্যকর করে তোলে। এছাড়া থাকে লাইপোসোম, যা ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বককে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। এ রকম ক্রিম রাতে ব্যবহার করলে ত্বক ভালো থাকে।

Saturday, July 27, 2024

ত্বকের যত্নে ডিম

 


ত্বকের যত্নে ডিম

• ডিমের কুসুম শুষ্ক ত্বক ময়েশ্চারাইজ ও ত্বক নরম-কোমল করতে বিশেষ সহায়ক। এর জন্য সাধারণত একটি ডিমের কুসুম এবং এক চা-চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করা হয়। এ পদ্ধতিতে পরিষ্কার ত্বকে প্যাকটি লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
• ত্বকে রক্ত চলাচল বজায় রাখতে ডিমের কুসুম একটি অপরিহার্য উপাদান। এ ক্ষেত্রে একটি ডিমের কুসুমের সঙ্গে এক টেবিল চামচ ঘন ক্রিম এবং এক টেবিল চামচ তাজা গাজরের রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করা হয়। মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিট ব্যবহারেই এটি ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত করে তোলে।
• ইদানীং ত্বকের ভাঁজ পড়া এবং কালচে ভাব একটি সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এ সমস্যা দূর করতে মটর ডাল বাটা, বাঙ্গির খোসা, ডিমের কুসুম, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও মধুর মিশ্রণ বেশ উপকারী।

তৈলাক্ত ধুলো-ময়লা জমে ব্রণ-ফুসকুড়ি সৃষ্ট হতে পারে। ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করলে ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব মুহূর্তেই দূর হবে। তাই ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যার মোকাবিলায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্রণ আক্রান্ত অংশগুলিতে ডিমের সাদা অংশের প্রলেপ লাগিয়ে দিন। পরিষ্কার আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো ভাবে ব্রণ আক্রান্ত অংশগুলিতে ডিমের সাদা অংশের প্রলেপ লাগান। দ্রুত ভালো ফল পেতে এর সঙ্গে টকদই, দারুচিনির গুঁড়া বা হলুদ যোগ করতে পারেন।

Sunday, July 14, 2024

রুপচর্চায় লেবুর রসের উপকারিতা

১) মুখের শ্রী বৃদ্ধি করার জন্য এক টুকরো লেবুর রসের সাথে দুই চামচ দুধ মিশিয়ে তুলার সাহায্যে মুখে প্রলেপ লাগান। ১৫ – ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলু্ন।

২) মুখের ব্রন এবং ব্রনের দাগ স রানোর জন্য লেবুর রস ত্বকে মাখা একান্ত দরকার। তৈলাক্ত ত্বকে ব্রনের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। লেবু কিংবা গাজরের রস অল্প একটু চিনির সাথে মিশিয়ে খেলে এর হাত থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া যায়।

৩) আধা চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার ত্বকে আদ্রতা আনবে। মেক আপ করার আগে মুখে এই রূপটানটি লাগালে মুখ উজ্জল হবে।

৪) মুখের বলিরেখার দাগ আপনার সাজ নষ্ট করে দেয়। ১০ গ্রাম লেবুর রস এবং ১০ গ্রাম টমেটোর রস একত্রে মিশিয়ে বলিরেখার উপর লাগিয়ে ৫ মিনিট পর রেখে ধুয়ে নিন। বলিরেখা থাকবে না।

৫) পাকা কলা, লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে ২০ – ২৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। আবার লেবুর রসের সঙ্গে দুধ ও চন্দনের গুড়া দিয়ে পেস্ট করে পোড়া জায়গায় ম্যাসেজ করলে উপকার পাওয়া যায়।

৬) লেবুর রস ও শসার রস সমপরিমাণে মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরী হয়ে গেল অ্যান্টিজেন্ট লোশন। এটি ত্বকে লাগিয়ে দেখুন। কয়েকদিনের মধ্যেই ত্বকের তেলতেলে ভাব কমে যাবে।

৭) হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালি এসব জায়গায় বেশি ময়লা জমে। এ নিয়ে অনেকের ই দুঃশ্চিন্তার শেষ নেই। আধা টুকরো লেবু নিয়ে এই জায়গাগুলোতে ভাল করে ঘষে নিলে ময়লা উঠে গিয়ে ঝকঝকে হয়ে উঠবে।

Thursday, July 11, 2024

সুন্দর্য বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়



আপনি কি জানেন হলুদ হলো সব মশলার রানী ? প্রাচীনকাল থেকেই নানান কাজে হলুদের ব্যবহার করা হয়ে আসছে । এমনকি হলুদকে অতি পবিত্র একটি উপকরণ হিসেবে ধরা হয় যার মধ্যে অনেক মহা ঔষধির গুন বর্তমান । সমীক্ষায় জানা গেছে যে নিয়মিত এক টুকরো হলুদের সেবনে মাউথ ক্যান্সার বা মুখের কর্কট রোগ হয় না। বিশুদ্ধ হলুদ তার অ্যান্টিসেপটিক, বিরোধী প্রদাহজনক এবং জীবাণুমুক্ত বৈশিষ্ট্যর জন্য সুপরিচিত । আসুন জেনে নেওয়া যাক আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে হলুদ কিভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্রণ প্রতিরোধে – অনিয়মিত জীবন যাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করার ফলে ব্রণ আজকালকার একটি অতি সাধারণ সমস্যা। সাধারণত কম বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি পরিমাণে দেখতে পাওয়া যায় ।এছাড়াও কিছু হরমোনাল কারণ, বাইরের ধূলোবালি , তৈলাক্ত ত্বক ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী। কারণ সে যাই থাকুক না কেন হলুদের মধ্যে থাকা কিছু বিশিষ্ট উপকরণ এই সমস্যার প্রতিরোধে খুব ভালো কাজ করে ।

ব্যবহার বিধি

l হলুদ গুঁড়োর সাথে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে তা শুধুমাত্র ব্রণের ওপর লাগান।
l শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন ।হলুদের মধ্যে থাকা অ্যান্টিসেপটিক গুণগুলি ব্রণ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং লেবুর মধ্যে থাকা ব্লীচিং গুণাগুণ ব্রণের দাগ দূর করে ।
মুখের লোম ওঠাতে সাহায্য করে – মুখে এরকম কিছু অবাঞ্ছিত লোম থাকে যা মুখ কে করে তোলে দৃষ্টিকটু ।
অনেককে তাই থ্রেডিং বা ওয়্যাক্সিং এর পন্থা অবলম্বন করে। এক্ষেত্রেও হলুদের নিয়মিত ব্যবহার লাভদায়ক।

ব্যবহার বিধি

l হলুদের সাথে সামান্য জল মিশিয়ে একটি পুরু মিশ্রণ তৈরি করে অবাঞ্ছিত লোমের ওপর লাগান ।
l শুকিয়ে গেলে লোমের গ্রোথের উল্টো দিকে মাসাজ করুন। দেখবেন অবাঞ্ছিত লোমের সমস্যা অনেকটাই কমে গেছে।
চোখের তলায় কালো ভাব এবং রিংকেলস কমায় – অত্যধিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা গুলোর আমাদের সবাইকেই সম্মুখীন হতে হয় । এক্ষেত্রেও হলুদ কাজে লাগে ।
ব্যবহার বিধি

l হলুদের সাথে মাখন এবং আখের রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন।
l রাতে শোবার আগে মধ্যমার সাহায্যে চোখের তলায় এবং সারা মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করুন ।



Tuesday, June 25, 2024

মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার উপায় ঘরোয়া উপায়



মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার উপায়

১। বেসন এবং হলুদের প্যাক
 এক চামচ বেসন, এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো এবং পরিমাণমত দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের উপরের লোম দূর করে দেবে। এটি সপ্তাহে দুই তিন বার ব্যবহার করুন।

২। ডিমের সাদা অংশ
 ঠোঁটের উপরে অংশের লোম দূর করতে ডিমের সাদা অংশ বেশ কার্যকর। একটি ডিমের সাদা অংশ, কর্ণ ফ্লাওয়ার এবং চিনি ভাল করে ফেটে নিন। এবার এই পেস্টটি ঠোঁটের উপর লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে এটি তুলে ফেলুন। ভাল ফল পেতে এটি সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন। এক মাসের মধ্যে আপনি দেখতে পাবেন আপনার লোম অনেকটা কমে এসেছে।

৩। চিনি 
ঘরোয়া ওয়াক্সিং করার অন্যতম উপাদান হল চিনি। চিনি অবাঞ্ছিত লোম দূর করে এবং নতুন লোম জন্মাতে বাঁধা দিয়ে থাকে। একটি প্যানে কিছু পরিমাণ চিনি এক মিনিট জ্বাল দিন। এর সাথে কিছু পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে ঘন করে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে নিন। এবার একটি কাপড় দিয়ে চক্রাকারে ঘষুন এবং লোমের বিপরীতে টান দিন। 

৪। চালের গুঁড়ো এবং টকদই 
চালের গুঁড়ো এবং টকদই মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। 

৫। ময়দা 
ময়দা, দুধ এবং হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই পেস্টটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে এটি টান দিয়ে তুলে ফেলুন। সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী একটি উপায়ের মধ্যে এটি অন্যতম।

Sunday, June 23, 2024

ঈদের পরে হাতের যত্ন নিন

নখের যত্নে
নখ ছোট একটা অংশ হলেও এর সৌন্দর্য ঠিক রাখা জরুরি। নখের প্রধান সমস্যা পাতলা হয়ে ভেঙে যাওয়া। অথবা মাংস কাটতে গিয়ে ধারালো বঁটি বা ছুরিতে লেগে নখ কেটে যাওয়া। কিন্তু নখ যদি একটু মোটা হয়, তবে ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে না। তাই ঈদের কিছুদিন আগে থেকেই নখের যত্ন শুরু করুন। ২ টেবিল চামচ জলপাই তেলে একটা পুরো রসুন থেঁতো করে জ্বালিয়ে নিতে হবে। রসুন ব্যবহারের আগে ধুয়ে নেওয়া যাবে না। তেলটি ঠান্ডা করে বোতলে রেখে দিন। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে নখে লাগালে নখ শক্ত ও মোটা হবে।

মাংসের গন্ধ দূর করতে
ঈদের দিনে মাংস ও মসলার গন্ধ এবং তেল কাটাতে হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহারের বিকল্প নেই। কিন্তু এতে হাতের চামড়া ওঠা, চামড়া রুক্ষ ও খসখসে হওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই হ্যান্ডওয়াশে সামান্য ভিনেগার ও চিনি মিশিয়ে নিলে একবার ব্যবহারেই গন্ধ ও তেল দ্রুত কেটে যাবে। এতে কাঁচা মাংসের ব্যাকটেরিয়াও হাত থেকে দূর হবে।

উজ্জ্বল ও কোমল করতে
যেহেতু সব কাজে হাত বেশি ব্যবহার করা হয়, তাই এতে মরা চামড়াও তৈরি হয় সব থেকে বেশি। এর জন্য লাল চিনি, লেবু ও মধুর প্রাকৃতিক স্ক্র্যাব বেশ কার্যকর। হাতের উজ্জ্বলতা ও কোমলতা বাড়াতে ২ টেবিল চামচ লাল চিনি, ১ টেবিল চামচ লেবু ও আধা টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে হাতে ম্যাসাজ করতে হবে যতক্ষণ না চিনি পুরোপুরি গলে যায়। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

চামড়া ওঠার সমস্যা এড়াতে
হাতের চামড়া ওঠার সমস্যা কমাতে হাত ময়েশ্চার করা জরুরি। এর জন্য আধা কাপ টকদই, ২ টেবিল চামচ বেসন, গুঁড়া দুধ ১ টেবিল চামচ, গ্লিসারিন ১ টেবিল চামচ মিশিয়ে হাতে ব্যবহার করতে পারেন।

হাত কোমল ও সুন্দর রাখতে
হাতের কোমলতা ধরে রাখতে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। এর জন্য আধা কাপ নারকেল তেল বা এক কাপ জলপাই তেল, ২ টেবিল চামচ গ্লিসারিন ও আধা কাপ গোলাপজল বোতলে মিশিয়ে নিন। হাত প্রতিবার ধোয়ার পর এটি ব্যবহার করলে কোমল থাকবে হাত।

টিপস
ম্যানিকিউরের আগে নারকেল তেল বা পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে নিতে হবে। এতে হাতে রুক্ষতা আসবে না।
মাংস কাটার আগে নখ কেটে ছোট করে নেওয়া ভালো।
মাংস প্রস্তুত করতে গিয়ে হাত কেটে গেলে কীটনাশক দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে জায়গাটি ব্যান্ডেজ করে ফেলতে হবে।
মাংস ধোয়ার সময় হাতে গ্লাভস ব্যবহার করতে পারেন।

Wednesday, May 29, 2024

ঘরোযা উপায়ে ত্বকের এলার্জি দূর করুন

 মুখের ত্বকের এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়

অলিভ অয়েল
অতিরিক্ত ভার্জিন জলপাই তেল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে আশ্চর্যজনক ভাবে কাজ করে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ এ তেল চুলকানি হ্রাস করে।

নিম পাতা
নিম পাতা ত্বকের লালচেভাব, ফোলাভাব এবং চুলকানি দূর করতে দারুন কাজ করে। বেশ কয়েকটি নিম পাতা পেস্ট করে আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

কোল্ড শাওয়ার
ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল ত্বকের জ্বালা এবং এলার্জি হ্রাস করতে সহায়তা করে। একটি শীতল ঝরনা আপনার রক্তনালীগুলো সঙ্কুচিত করতে সহায়তা করে এবং হিস্টামিন বেরোতে দেয় না। এটি অ্যালার্জির তীব্রতা এবং ত্বকের জ্বালাও হ্রাস করে।

তুলসি
তুলসিতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি রয়েছে যা ত্বকের চুলকানি হ্রাস করে। এক মুঠো তুলসি পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। পরে পাতাগুলো পেস্ট করে নিন। আক্রান্ত স্থানে পেস্টটি লাগিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। স্বস্তির জন্য দিনে কয়েকবার লাগাতে পারেন এই পেস্ট।

নারকেল তেল
শিশু এবং শিশুদের মধ্যে ত্বকের এলার্জির একটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় হলো নারকেল তেল। এক চা চামচ নারকেল তেল হালকা গরম করুন এবং এটি আক্রান্ত স্থানে লাগান। প্রায় ৩০ মিনিট রাখার পর হালকা গরম জলে ধুয়ে ত্বক শুকিয়ে নিন। নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত এটি দিনে ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা জেল প্রাকৃতিক ওষুধি এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে অনেক প্রাকৃতিক নিরাময়ের প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। এটি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াটিকে গতি দেয় এবং প্রশস্ত স্বস্তি দেয়, এটি দেহের ত্বকের অ্যালার্জির অন্যতম সেরা প্রতিকার।

এজন্য পাতা থেকে এক চা চামচ জেল বের করুন বা কিনে নেয়া অ্যালোভেরা পণ্য থেকে এক চা চামচ জেল নিন। পরে আক্রান্ত স্থানে জেলটি সরাসরি ছড়িয়ে দিন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে রেখে এটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন এক নাগারে দিনে তিনবার প্রয়োগ করুন, ভালো ফল পাবেন।

Saturday, May 25, 2024

এই গরমে বাড়িতে বসেই নিন তেলতেলে ত্বকের যত্ন




 
বাড়িতে খুব সাধারণভাবেই নেওয়া যেতে পারে তেলতেলে ত্বকের যত্ন 


১) নিয়মিত শসার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর হয়ে যায়। শসার রস করে তাতে চালের গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।  

২) গোলাপ জল ও লেবুর রস আধা ঘণ্টা মুখে লাগিয়ে রেখে আলতোভাবে তুলা দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। এতে ত্বক পরিষ্কারসহ ব্রণ এবং ফুসকুড়ির দাগ থাকলে সেটিও চলে যাবে।

৩) এক চামচ বেসনের সঙ্গে অল্প হলুদের গুঁড়ো ও টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে তা কিছুক্ষণ মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। এতে মুখের তৈলাক্তভাব দূর হবে।  

৪) শসার রসে বেশন বা আটা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে ও গলায় ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে।

৫) ডিমের সাদা অংশ মুখে লাগিয়ে এর ওপর টিস্যু পেপার দিয়ে ১০ মিনিট রাখতে হবে। শুকানো হয়ে গেলে ত্বক পরিষ্কার করে নিলেই ত্বকের লোমকূপ বড় দেখানোর সমস্যা দূর হবে। 

৬) নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করলে তা তেলতেলেভাব দূর করতে অনেক কার্যকরী।

৭) রসুনে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক থাকে। অনেকের কাছেই অজানা যে, ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করতে রসুনের পেস্ট ব্যবহারে অনেক সুফল পাওয়া যায়।

৮) চন্দনের গুণাবলি রয়েছে অনেক। ত্বকের তেলতেল ভাব দূর করতে চন্দনের গুঁড়োর সঙ্গে মুলতানি মাটি ও এতে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তা শুকিয়ে যাওয়ার পর ধুয়ে ফেললেই মিলবে তেলহীন মসৃণ ত্বক। 

৯) এ ছাড়া শুধু মুলতানি মাটির সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট করে একই পদ্ধতিতে ব্যবহার করলেও দূর হবে তৈলাক্তভাব। 

১০) আপেলের রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই মিলবে সুফল।