Showing posts with label শিশুদের যত্ন ও পরামর্শ. Show all posts
Showing posts with label শিশুদের যত্ন ও পরামর্শ. Show all posts

Saturday, September 2, 2023

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ডিএইচএ’র ভূমিকা



সন্তান পৃথিবীর আলো দেখার পর থেকেই মায়ের চিন্তার যেন আর শেষ নেই। বাচ্চার বাড়- বৃদ্ধি ঠিকঠাক হচ্ছে তো, প্রয়োজনীয় পুষ্টি সে পাচ্ছে তো? এরকম হাজারো চিন্তায় মায়ের রাতের ঘুমই যেন উধাও হয়ে যাচ্ছে। ৬ মাস পর্যন্ত বাচ্চাদের যেহেতু বুকের দুধই একমাত্র সুষম খাবার, তাই এই কয়েকমাস হয়তো খাবার বা খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে মাকে খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না। কিন্তু যেই বাচ্চা বড় হতে শুরু করে বা তার জিভের স্বাদ বদলানোর নিত্যনতুন খেয়াল শুরু হয়, অনেক মায়েরাই বিব্রত হয়ে পড়েন। কী ধরনের খাবার বাচ্চাকে দিলে তার বাড়ন্ত বয়সের পুষ্টি সম্পূর্ণ হবে বা তার শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি হবে, এই চিন্তায় গালে হাত পড়ে মায়েদের। এখানে একটা কথা বলি, সুষম খাবারের ধারণাটা ঠিক কী বা কোন খাবারের প্রয়োজন কোথায়, এই ছোট্ট ছোট্ট বিষয়গুলো একটু জেনে রাখলে অহেতুক চিন্তা করে বলিরেখা বাড়াতে হবে না আপনাকে। বাচ্চার খাবারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল ডিএইচএ। আর আজ এই ডিএইচএ নিয়েই আমাদের চুলচেরা আলোচনা।

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ডিএইচএ’র ভূমিকা

#1. বুদ্ধিমত্তা (Intelligence)
সমীক্ষা বলছে, গর্ভাবস্থা থেকেই আপনার শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিএইচএ’র জোগান থাকে তা হলে আপনার শিশু হবে বুদ্ধিমান, তুখোড়! গর্ভাবস্থায় খাবার তালিকায় তাই মাছ, মাছের তেল চাই-ই চাই!

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ডিএইচএ’র ভূমিকা

#2.স্মৃতিশক্তি-মনোযোগ (Memory & Attention)
ছোট থেকেই শিশুকে যদি মাছ-প্রেমী করে তুলতে পারেন, তার চেয়ে ভালো কিছুই হয় না। মাছ ছাড়াও আরও অনেক খাবারে ডিএইচএ থাকে। এর থেকেই স্মৃতিশক্তি পরিপক্ক হয় শিশুর, মনোযোগও বাড়ে ওর!

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ডিএইচএ’র ভূমিকা

#3.মানসিক স্বাস্থ্য (Mental Health)
যাদের শরীরে ডিইএচএ’র মাত্রা বেশি, তারাই থাকে হাসিখুশি! মন ফুরফুরে রাখার হরমোনকেই যে চাঙ্গা রাখে সে। ডিএইচএ-র অভাব হলেই মানসিক চাপ, আবেগপ্রবণতার মতো সমস্যায় ভোগে শিশু।

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ডিএইচএ’র ভূমিকা

#4.মস্তিষ্কের কার্যকলাপ (Normal Brain Function)
মস্তিষ্কের কাজকর্ম স্বাভাবিক-সচল রাখতে ডিএইচএ’র ভূমিকা অপরিসীম।
মস্তিষ্কের ভিতরে থাকা কুঠুরিগুলির সহজে বিকাশ হয় এতে। রোজের খাবারে তাই ডিএইচএ সমৃদ্ধ খাবার থাকা শিশুর জন্য অপরিহার্য।

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ডিএইচএ’র ভূমিকা

#5.মস্তিষ্কের কোষের সমন্বয় (Healthy Brain Cells)
গোটা জীবন ধরেই আমাদের মস্তিষ্কে নতুন কোষ তৈরির প্রক্রিয়া জারি থাকে। নতুন এই কোষগুলোর স্বাস্থ্য রক্ষা, একে অপরের সাথে যোগাযোগ রক্ষার কাজটা কে করে জানেন? ঠিক ধরেছেন, ডিএইচএ!

Thursday, August 31, 2023

শিশু-কিশোরদের মাথাব্যথা করে কেন

 

শিশু–কিশোরদের মধ্যে মাথাব্যথা বেশ পরিচিত সমস্যা। অনেক কারণেই তাদের মাথাব্যথা হতে পারে। অতিরিক্ত ডিভাইস ব্যবহার থেকে শুরু করে দুশ্চিন্তা, অনেক কিছুই মাথাব্যথার কারণ। আবার মস্তিষ্কের জটিল ইনফেকশন বা টিউমার, এসবের উপসর্গ হিসেবেও দেখা দিতে পারে মাথাব্যথা।

 মাথাব্যথার কারণকে দুইভাবে ভাগ করা যেতে পারে:

 ১. প্রাথমিক মাথাব্যথা: মাইগ্রেন ও দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা।

 ২. অন্য কোনো রোগের লক্ষণ হিসেবে মাথাব্যথা: চোখ-কানের সমস্যা, সাইনোসাইটিস, আঘাত, মস্তিষ্কের প্রদাহ, টিউমার, এমনকি মানসিক কোনো সমস্যার উপসর্গ হিসেবেও মাথাব্যথা হতে পারে।

 এই বয়সীদের ক্ষেত্রে মাথাব্যথার প্রকৃতি বিবেচনা করে আসল কারণ বের করাটা খুব দরকার। মাইগ্রেন বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা, চোখের সমস্যা এবং সাইনোসাইটিসের জন্য ছোটদের বেশি ভুগতে দেখা যায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত মাথার একপাশে হয়। তীব্রতা মাঝারি থেকে খুব বেশি হতে পারে। ক্ষেত্র বিশেষে ৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে। যদিও বাচ্চারা অনেক ক্ষেত্রেই মাথার এক পাশের বদলে দুই পাশেও ব্যথা অনুভব করতে পারে। এই ধরনের ব্যথার ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস থাকতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় তীব্র আলো, শব্দ, অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকা, রাত জাগা, অতিরিক্ত চকলেট বা ক্যাফেইন জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার পর ব্যথা শুরু হয়। কী কারণে ব্যথা বাড়ে, নির্ণয় করতে পারলে কিছু প্রতিরোধক ওষুধের সাহায্যে মাইগ্রেনজনিত ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথার তীব্রতা মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যথার চেয়ে কিছুটা কম। কিন্তু স্থায়িত্ব কখনো কখনো এক সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত পরীক্ষা বা কোনো মানসিক চাপে থাকলে এই ব্যথা দেখা দিতে পারে।

চোখ ও কানের সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে চশমা ব্যবহার করতে হবে। পরিমিত ঘুম, পর্যাপ্ত পানি পান, সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া, চকলেট বা ক্যাফেইন জাতীয় খাবার পরিহার, শিশুকে চাপমুক্ত রেখে সঠিক সময়ে ঘুমের অভ্যাস করলে অনেকাংশে এই ব্যথা প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধেই নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়।

তবে নিচের লক্ষণগুলো থাকলে অবশ্যই দ্রুত শিশু নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে—

১। মাথাব্যথার সঙ্গে খিঁচুনি।

২। প্রথমবারেই অতিরিক্ত তীব্র মাথাব্যথা।

৩। মাথাব্যথা কাশির সঙ্গে যদি বাড়ে, সকালের দিকে বেশি হয়, সঙ্গে বমি এবং চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।

৪। যে মাথাব্যথায় বাচ্চা ঘুম থেকে জেগে যায়।

ছয় বছরের নিচের বাচ্চাদের যেকোনো মাথাব্যথাকেই গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।

মাথাব্যথা হলে সেটিকে উড়িয়ে না দিয়ে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার। সাধারণ মাথাব্যথা যেমন নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তেমনি জটিল কোনো রোগ হলেও দ্রুত নির্ণয় করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

Wednesday, July 12, 2023

নবজাতকের শারীরিক যত্ন


নবজাতকের শারীরিক বিষয় নিয়ে পারিবারিক সদস্যদের চিন্তার অন্ত থাকে না, নবজাতকের পরিচর্যার ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো নিম্নে দেওয়া হলোঃ

প্রশ্ন : বিলুরুবিনটা কত বেশি হলে সেটি চিন্তার বিষয়?
উত্তর : সব শিশুরই জন্ডিস হবে, তবে সেটি কম আর বেশি। দেখা যায়, তিন থেকে চার দিনে জন্ডিস বাড়ে। আবার ছয়-সাত দিনে কমে যায়। সেসব শিশুর এর পরও না কমে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ হলে ফটোলাইট দিয়ে চিকিৎসা করি। এর বেশি হলে অনেক সময় রক্ত পাল্টানোর মতো পরিস্থিতি হয়।

প্রশ্ন : নবজাতকের নাভির পরিচর্যার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে জোর দেওয়া দরকার?
উত্তর : নাভি শুষ্ক রাখতে হবে। নাভি ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে শুকিয়ে পড়ে যাবে। আগে বলা হতো, স্যাভলন বা অ্যান্টিস্যাপটিক এগুলো ব্যবহারের জন্য। তবে এখন বলা হয়, কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি কোনো কারণে নাভির চারদিকে লাল হয়ে যায়, নাভি ফুলে যায় তখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। আরেকটি স্বাভাবিক বিষয় হলো, অনেক শিশুর নাভি ফোলা থাকে, তখন মায়েরা চিন্তায় পড়ে যান। নাভি কেন ফুলে যাচ্ছে? এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। এক বছর বয়স হতে হতে বিষয়টি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

 শিশুকে সরিষার তেল বারবার দেওয়া খুব কি যৌক্তিক?
উত্তর : আসলে সরিষার তেল দিতে আমরা নিষেধ করি। কারণ, এটি খুব পুরু থাকে। এর জন্য র‍্যাশ হয়। বাচ্চার শরীর ময়লা হয়ে যায়। সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সরিষার তেলের ঝাঁজ বেশি। আমরা সাধারণত বলি, সরিষার তেল না দেওয়াই ভালো। যদি বেবি অয়েল দিই বা অলিভ অয়েল দিই, সেটা দেওয়া যাবে। তবে সেটাও দেড় মাসের পরে।

Sunday, April 16, 2023

নারী দেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১০টি ভিটামিন সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন ????


অনেক বেশী স্বাস্থ্য সচেতন বর্তমান নারীরা স্বাস্থ্যকর খাবার খেতেও চেষ্টা করেন সবসময় । তবে কোন খাবারকে আমারা বলব স্বাস্থ্যকর খাবার? যে খাবারে সঠিক পরিমানে ভিটামিন আছে সেটাই হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। সব বয়সের মেয়েদের জন্যই সঠিক মাত্রায় ভিটামিনযুক্ত খাবার অতীব প্রয়োজনীয়। নারীদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনগুলো হল-

১) ভিটামিন এ

কেন দরকার 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার সাথে সাথেব শরীরের হাড়, চামড়া, দাঁত, নরম টিস্যু তৈরি করে ,ক্রনিক ডিজিস প্রতিরোধ করে, দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
গাজর, মিষ্টি কুমড়া, এপ্রিকট , টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, ব্রোকলি, কালে, পেপে, রেড পিপার, পালং শাক, ডিম, কলিজা, দুধ।

২) ভিটামিন বি ২

রিবোফ্লাবিন নামে পরিচিত ভিটামিন টি মানুষের মানসিক ভাবে সুস্ত থাকার জন্যও দরকার।
কেন দরকার 
শরীরে শক্তি বৃদ্ধির, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা কমিয়ে মানুষকে উৎফুল্ল করে তোলে। পরিপাক তন্ত্র ভাল রাখে, স্নায়ু কর্মক্ষম করে,গলদাহ , মুখের আলসার , শুষ্ক চুল , ত্বকে ভাঁজ পড়া ইত্যাদি সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
মাংস, পনির, দুধ, টক দই, শাক,ডিম, সয়াবিন, নাট ও মাসরুম।

৩) ভিটামিন বি ৬

কেন দরকার 
শরীরে হরমোন উৎপাদন, বিষন্নতা, হৃদরোগ ওস্মৃতিশক্তি কর্মক্ষম রাখা, চিনির মাত্রা সঠিক রাখতে, গর্ভবতী মায়েদের সকাল বেলার দুর্বলতা কাটাতে, রক্ত স্বল্পতা দূর করতে।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
সিরিয়াল, আভাকাডো , কলা, মাংশ, বিন , ওটমিল, বাদাম, বীজ জাতীয় খাবার ও শুকনো ফল।

৪) ভিটামিন বি ৭

কেন দরকার
কোষের বৃদ্ধিতে ও ফ্যাটি এসিডের সংস্লেশন, চুল ও ত্বক সাস্থ্যময় রাখা, হাড়ের বৃদ্ধি ও অস্থি মজ্জা তৈরি করা, শরীরে কোলেস্টরল ঠিক রাখা।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
মাছ, মিষ্টি আলু, গাজর, কলা, হলুদ ফল, ডাল, ডিম এর কুসুম, সয়াবিন, ওটমিল, দুধ, পনির, দই ।

৫) ভিটামিন বি ৯

কেন দরকার
হৃদরোগ , উচ্চ রক্তচাপ, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, বিসন্নতা, ক্যান্সার এবং স্মৃতিশক্তি লোপ প্রতিরোধ করে, গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে ।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
সবুজ সবজি, কমলা, তরমুজ,শস্যদানা, শিম , মটরশুটি এবং ডিম ।

৬) ভিটামিন বি ১২

কেন দরকার 
বিপাক ক্রিয়া ঠিক রাখতে, কোষ এর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে, প্রোটিন সংশ্লেষণ, স্মৃতি শক্তি কমে যাওয়া এবং রক্তস্বল্পতা রোধ
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
পনির , ডিম , মাছ , মাংস , দুধ , দই ।

৭) ভিটামিন সি

কেন দরকার 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, টিস্যুর বৃদ্ধি ঘটাতে,ক্যান্সার, হৃদরোগ লাল রক্ত কণিকা গঠনে ।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
ব্রোকলি , আঙ্গুর , কমলালেবু , মরিচ , আলু , স্ট্রবেরি , টমেটো।

৮) ভিটামিন ডি

কেন দরকার 
ক্যালসিয়াম শোষণ ,হাড় শক্তিশালী করা, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর জন্য। অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে আপনার অস্টিওপরোসিস হতে পারে ।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট রোঁদে থাকলেই আপনার শরীর পরিমিত ভিটামিন ডি উৎপাদন করতে পারে। আবার মাছ,দুধ , গরুর কলিজা থেকেও পেতে পারেন।

৯) ভিটামিন ই

কেন দরকার 
চেহারায় বয়সের ছাপ পড়া থেকে রক্ষা করে, হৃদরোগ , ছানি , স্মৃতিশক্তি লোপ প্রতিরোধ করে।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
গম, বাদাম , শাক , ভূট্টা তেল , কড লিভার তেল , মাখন , এবং সূর্যমুখী।

১০) ভিটামিন কে

কেন দরকার 
হাড় শক্ত করতে , রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে ও হৃদরোগের ঝুকি কমাতে।
কোন খাবারে আপনি ভিটামিনটি পাবেন-
শস্যদানা,সবুজ সবজি, সয়াবিন তেল ও মাছের তেল।

Saturday, November 12, 2022

ঋতু পরিবর্তনের সময় শিশুর সর্দি-কাশি

কয়েক দিন থেকে আপনার ছোট্ট শিশুটির সর্দি-কাশি, গায়ে হালকা জ্বর। ভাবছেন, নিউমোনিয়া। এখনই চিকিৎ সকের কাছে নিতে হবে। কেননা, পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত অল্পতেই ঠান্ডা লেগে যায় শিশুদের। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময়।

পরিবেশগত কারণে,গাড়ির ধোঁয়া আর ধুলাবালুর কারণে এবং যেসব বাড়িতে ধূমপান করা হয়, সেখানে ধোঁয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে আপনার আদরের সোনামণি। মায়ের বুকের দুধ খায়নি, অপুষ্টিতে ভুগছে, এমন শিশুদের ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেশি।

ঠান্ডা লাগলে কী করবেন?

শিশুর বয়স ছয় মাসের কম হলে, তাকে বারবার বুকের দুধ খাওয়ান। আর যদি বয়স হয় ছয় মাসের বেশি, তাহলে অল্প অল্প করে পানি, তরল ও নরম খাবার বারবার খাওয়াবেন। তখন একটু লেবু-র সরবত, আদা-র রস, তুলসীপাতার রস কিংবা মধু খাওয়াতে পারেন। শিশুকে ঘরে তৈরি করা খাবার দিন, বাইরের কোনো কাশির ওষুধ দেবেন না।
সঙ্গে জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়াতে হবে। শিশুকে উষ্ণ রাখতে চেষ্টা করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিন। সর্দির কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা নাক দিয়ে শব্দও হলেও খুব চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে নরম কাপড় দিয়ে নাকটা পরিষ্কার করে দিন।।


নিউমোনিয়ার লক্ষণ

ঠান্ডা লাগার সাধারণ লক্ষণগুলোর সঙ্গে শিশু দ্রুত, ঘন ঘন শ্বাস নেয় এবং বুকের পাঁজর ভেতরের দিকে ঢুকে যায়। তাই ঠান্ডা লাগলে শিশুর বুকের দিকে খেয়াল রাখুন। এ ছাড়া শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়ে, খাওয়া বন্ধ করে দেয়, জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি থাকে, অতিরিক্ত কাশির কারণে ঘুমাতে পারে না অথবা শিশু যা খায়, তার সবই বমি করে দেয়। তাহলে হাসপাতালে নিয়ে যান অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Saturday, October 15, 2022

শিশুর জন্মের পর মায়ের চুলপড়া প্রতিরোধে করণীয়

নরমাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ান কোনটিতে বেশি চুল পড়ে?

নরমাল ডেলিভারি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। তাই হরমোনের মাত্রা কমে স্বাভাবিকভাবে আর সিজারিয়ান সেকশন অপারেশনের পর হরমোনের মাত্রা হঠাৎ করে কমে যায়। তাই সিজারের পর চুল পড়ার আশঙ্কা বেশি।
মায়ের ঘুম না হলেও চুল পড়ে। শিশুকে খাওয়ানোর জন্য রাতে বার বার মাকে উঠতে হয়, সারা দিন মাকে হিমশিম খেতে হয় শিশু সামলাতে, নিজের দিকে খেয়ালই রাখা যায় না। আমাদের দেশের বেশির ভাগ পরিবারেরই সদ্যপ্রসব করা নারীর তেমন খাওয়া-দাওয়াও হয় না। ফলে ঘুম হয় না। তখন চুল পড়ে।
এ চুল গজানোর জন্য ক্ষেত্রবিশেষে চিকিৎসক মাথায় স্টেরয়েড ড্রপ ম্যাসাজ করতে বলেন। তাতে খানিকটা কাজ হয়। তা ছাড়া মাথায় ভালোভাবে ম্যাসাজের জন্য রক্তসঞ্চালন বাড়ে, তাতে চুল গজায়।
সন্তান হওয়ার সাধারণত দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত চুল পড়ে। তবে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া ও যত্ন পেলে এই চুল আবার স্বাভাবিকভাবে গজিয়ে যায়।

যত্নআত্তি

সন্তান গর্ভে থাকাকালীন এই যত্ন শুরু হওয়া দরকার। গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো—এই দুই অবস্থাতেই মেয়েদের স্বাভাবিক প্রয়োজনীয় ক্যালরির ওপরে আরো ৩০০ থেকে ৫০০ ক্যালোরি অতিরিক্ত প্রয়োজন হয়। তাই প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট—সবই ঠিকমতো খেতে হবে। একবারে না পারলে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়া দরকার। ফল ও দুধ খেতে হবে পর্যাপ্ত। আমাদের দেশে সন্তান হওয়ার পর দুধ, সাগু খাওয়ার যে প্রথা প্রচলিত আছে তা ক্যালোরির জোগান দেয়।

খুব বেশি তেল-মশলা দেওয়া খাবার এবং অতিরিক্ত ভাজাপোড়া না খাওয়াই ভালো।

রক্তস্বল্পতা একটি বড় সমস্যা। আমাদের দেশের ৮০ শতাংশ মায়ের হিমোগ্লোবিন ১০ গ্রাম শতাংশের নিচে। এর চিকিৎসা অবশ্যই ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী করতে হবে। চিকিৎসা মানে ইচ্ছেমতো আয়রন বড়ি বা ক্যাপসুল খাওয়া নয়। কোন ওষুধ কার ক্ষেত্রে কার্যকর তা একমাত্র চিকিৎসকই বলতে পারবেন। এ ছাড়া দেওয়া হয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।
দুপুরের দিকে শিশুকে দুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে যদি বাড়ির অন্য কোনো আত্মীয় বা পরিচারিকার কাছে রেখে মা নিজে অন্তত দু-তিন ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিতে পারেন, তাহলে খুব ভালো হয়। দরকার হলে এ সময় শিশুকে খাওয়ানোর জন্য বুকের দুধ বের করে সঞ্চয় করে রেখে দেওয়া যেতে পারে।
সপ্তাহে দুদিন নন-মেডিকেটেড শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ঘষে ফেলুন। রাতে শোয়ার আগে মাথায় লাইট হেয়ার অয়েল তুলোয় ভিজিয়ে নিয়ে ম্যাসাজ করুন অন্তত পাঁচ মিনিট।
সন্তান জন্মদানের পর মায়ের শরীর-স্বাস্থ্যের সঙ্গে চুল ও ত্বকের পূর্ণাঙ্গ পরিচর্যা খুবই দরকার। অনেক সময় সন্তান জন্মদানের পর মা তার স্বাভাবিক জৌলুস হারিয়ে ফেলেন। চুলের প্রকৃত যত্ন না নেওয়ার ফলে মায়ের মাথায় টাক পর্যন্ত দেখা যেতে পারে। তাই চুল পড়াকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন ও চিকিৎসা নিন।

Sunday, October 9, 2022

শিশুর পুষ্টিহীনতা নিয়ে কিছু তথ্য এবং যা করবেন



শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বুদ্ধির বিকাশ ও সুস্থতার জন্য পুষ্টি  শিশু মৃত্যুর প্রায় এক তৃতীয়াংশের কারণ মারাত্মক পুষ্টিহীনতা। পুষ্টিহীন শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে।

তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি

১) শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ঘন ঘন রোগে আক্রান্ত হওয়া।

২) খাবারে অরুচি।

৩) শিশুর অস্বাভাবিক আচরণ।

৪) শিশুর ত্বক ও চুলের স্বাভাবিক রং পরিবর্তন।

৫) অমনোযোগ।

৬) সব সময় শিশুর মধ্যে ক্লান্ত ভাব লক্ষ করা।

৭) রোগ থেকে সুস্থ হতে বেশি সময় লাগে।

 

দীর্ঘ মেয়াদি স্বাস্থ্য ঝুঁকি

১) শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া।

২) বয়স ও উচ্চতা অনুসারে ওজন ও উচ্চতা না বাড়া।

৪) শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ না হওয়া।

৫) মুখ,পেট ও পায়ে পানি আসা।

৬) রক্ত শূন্যতা।

৭) পড়াশোনায় অমনযোগী ও পরীক্ষায় ফলাফল অসন্তোষজনক হওয়া।

৮) স্বাস্থ্য ভালো না থাকা।

৯) শিশুর কর্ম দক্ষতা কমে যাওয়া।

১০) চোখে কম দেখা এবং ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে পড়া।

১১) মৃত্যু ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়া।

পুষ্টি হীনতার কারণ

১) শিশুর দীর্ঘ দিন সুষম খাদ্যের অভাব।

২) মা-বাবার পুষ্টি বিষয়ক জ্ঞানের অভাব।

৩) পারিবারের অশিক্ষা ও দারিদ্র্য।

৪) শিশুদের ক্রনিক রোগের কারণে খাবারে অরুচি।

৫) শিশুর দীর্ঘদিন ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হওয়া।

৬) শিশুর লিভারসহ পরিপাকতন্ত্রের রোগ।

৭) অস্বাস্থ্যকরভাবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও রান্না করা।

৮ ) খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ।

৯) শিশুর কৃমি রোগ।

১০) খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব, শিশু পুষ্টিহীনতার অন্যতম কারণ।

পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে যা করবেন

১) পরিবারের সবাইকে স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত জ্ঞান বাড়াতে হবে।

২) শিশুর পুষ্টিহীনতার সঠিক কারণ বের করে তার চিকিৎসা করতে হবে।

৩) শিশুর জন্মের পর থেকে ৫ মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।

৪) শিশুকে সময় মতো সব টিকা দিলে স্বাস্থ্যের সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে।

৬) শিশুর ছয় মাস বয়স থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি পাতলা সবজি খিচুড়ি, ডিমের কুসুম ও সেমি সলিড খাবার শুরু করতে হবে।

৭) শিশুকে খাওয়ানোর সময় ভালোবাসা ও যত্ন নিয়ে খাওয়াতে হবে।

৮) যেহেতু প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলের অভাবে  শিশুরা পুষ্টিহীনতায় ভোগে- তাই এসব খাবার বেশি করে খেতে দিতে হবে।

৯) পুষ্টিহীন শিশুদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে এবং নিয়মিত  ডাক্তারের সেবা ও পুষ্টিকর খাবার খেতে দিতে হবে।

১০) পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করুন এবং দুটি সন্তানের মধ্যে বয়সের আদর্শ দূরত্ব বজায় রেখে সন্তান নিন। নতুন সন্তান এলে আগের সন্তানের খাবার ও সার্বিক যত্নে অবহেলা করবেন না।

Saturday, May 22, 2021

করোনা ভাইরাস থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন


বিশ্বের ৮০ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। বিশ্বে করোনাভাইরাসে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর তিন হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের টিকা এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র পথ হচ্ছে জানা ও প্রতেরোধ করা। তবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কাউকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত করা যায়নি। এই ভাইরাস নিয়ে এথন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন প্রশ্ন হলো– আক্রান্ত হলেই কি মৃত্যু নিশ্চিত।
সারা বিশ্বে করোনাভাইরাস নিয়ে প্রতিনিয়ত উদ্বেগ বাড়ছে। এই রোগে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকলেও তাদের এসব বিষয় সম্পর্কে জানাতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো– কোমলমতি শিশুরা করোনাভাইরাস সম্পর্কে কিছুই জানে না। আর তারা অনেক কিছু বুঝতেও চায় না।
আসুন জেনে নিই শিশুকে কীভাবে বোঝাবেন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে? তার মনে ভয় কীভাবে দূর করবেন?

ডা. পুনম কৃষ্ণা যুক্তরাজ্যের একজন চিকিৎসক। এই চিকিৎসকের চার বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, এই ভাইরাস সম্পর্কে শিশুদের বোঝাতে হবে। আমাদের যেমন ঠাণ্ডা লাগে, পেট খারাপ হয় ও বমি হয়। এই ভাইরাস তেমনি।
তিনি বলেন, বাবা-মায়ের উচিত শিশুদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা। নতুবা সে স্কুলে বা বন্ধুদের কাছ থেকে ভুল তথ্য পাবে। তিনি বলছেন, ৬-৭ বছর বয়সী বা তাদের নিচে যাদের বয়স তাদের ক্ষেত্রে সম্ভাবনা হলো তারা যা শুনবে তাতেই বিচলিত হবে। কারণ তাদের বাবা-মায়েরা তাদের আশপাশেই বিষয়টি নিয়ে আলাপ করছে।

ডা. উলফসন স্বীকার করছেন, যে কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারে না যে তার শিশু এতে আক্রান্ত হবে কিনা। আমাদের উচিত স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় জানা।তিনি বলেন, নিয়মিত হাত ধোয়ার বিষয়টি শিশুদের শেখাতে হবে।
তার সঙ্গে একমত পোষণ করে ডা. কৃষ্ণা বলছেন, নিজেকে রক্ষা করার জন্য যেমন শিশুর সঙ্গে হাত ধোয়ার মতো বিষয়টি নিয়ে গল্প করা।


প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে শিশুদের মনে করিয়ে দেয়া। ছোট শিশুরা খুব কৌতূহলী হয়।
ডা. কৃষ্ণা বলছেন, শিশুরা সবকিছু ছুঁয়ে দেখে। স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে খাবার ও পানীয় আদানপ্রদান করে, যা রোগজীবাণু ছড়ানোর অন্যতম কারণ।

Monday, April 12, 2021

মার্চে- জন্মগ্রহণকারী শিশুদের ব্যাক্তিত্বের 8 টি বৈশিষ্ট্য যা তাদের বিশেষ করে তোলে

 


মার্চ মাসে যে ফুলটি প্রস্ফুটিত হয় সেই ফুলটি হল ড্যাফোডিল– যা আশার প্রতীক এবং এই আশা অবশ্যই আপনার সন্তানটিও আপনার জীবনে প্রতিফলিত হয়ে উঠবে।এই মাসে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা হয় প্রাণবন্ত এবং উচ্ছল মেষ রাশির অথবা বন্ধুসুলভ ও সহজ সরল মীন রাশির হয়ে থাকতে পারে।সে আবার মীনমেষ রশিতেও জন্মগ্রহণ করতে পারে (যেটি হল তাকে সেক্ষেত্রে অবশ্যই জন্মগ্রহণ করে থাকতে হবে 17′ই মার্চ থেকে 23′শে মার্চের মধ্যে), যার অর্থ হল সে একটি আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব পেতে চলেছে, সুতরাং আরও হৈচৈ ছাড়াই, আসুন মার্চে জন্মগ্রহণকারীদের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যগুলি সম্পর্কে বিশদে কথা বলি।

1.তারা অতিরিক্তমাত্রায় স্বজ্ঞাত

স্মার্টনেস এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা সমস্ত বাবামায়েরাই তাদের সন্তানদের মধ্যে একটি গুণ হিসেবে গড়ে উঠতে দেখতে চান এবং মার্চেজন্মানো আপনার শিশুটি সেটি নিশ্চিতভাবেই পেয়েছে! মার্চ জন্মগ্রহণকারী শিশুরা বেশ স্মার্ট ও বুদ্ধিদীপ্ত হয় এবং তাদের বোকা বানানো কারও পক্ষে কঠিন হবে।এই মাসে জন্ম নেওয়া শিশুরা অত্যন্ত স্বজ্ঞাত হয়ে উঠবে অর্থাৎ কেউ তাদের বিরুদ্ধে কোনও ষড়যন্ত্র করছে কিনা তা তারা বুঝতে সক্ষম হবে এবং তারা সেটি প্রতিরোধ করতে প্রস্তুত থাকবে! ছলচাতুরি এবং প্রতারণা এমন কিছু নয় যা তাদের ধারে কাছে এসে তাদের বিপর্যস্ত করে তুলতে পটি কেবল তাদের আরও শক্তিশালী করে তুলবে।


2.তাদের ভবিষ্যতে একদিন CEO হওয়ার বেশ সম্ভাবনা আছে


আপনি কি এটি পড়ে খুশি নন? কেই বা হয় না? মাবাবা হিসাবে, আপনি সবসময়েই চান যে আপনার সন্তানরা যাই করুক না কেন তারা যেন জীবনে সফল হয়, তবে যদি কেউ আপনাকে বলেন যে তারা কোনও এক দিন CEO হতে পারে তবে আপনি সম্ভবত মেঘে ভেসে বেড়াবেন। এটা বিশ্বাস করা হয় যে মার্চজন্মগ্রহণকারীদের কোনও কোম্পানির নেতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।আর এটি সম্ভবত এই কারণেই হতে পারে যে এই সকল শিশুরা সাধারণত বিদ্যালয়ে তাদের শ্রেণীতে বয়সে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বড় হয়ে থাকে আর তাই স্বাভাবিকভাবেই ধরে নিতে পারা যায় যে তারা নেতৃত্ব করতেই জন্মগ্রহণ করেছে।এবং আপনি হয়ত কখনও জানেনই না যে আপনার সন্তান কোনও দিন তার নিজের ব্যক্তিগত কোণে অফিস গড়ে তুলতে পারে!

3. তাদের একটি সোনার হৃদয় রয়েছে

মার্চ মাসে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা হয়ে উঠতে পারে মহৎ উদার এবং সহানুভূতিশীল হ্যাঁ, আজ বিশ্বে  ধরণের লোকের ভীষণ প্রয়োজন। তাদের বৃহৎ হৃদয় এবং উদার প্রকৃতির জন্য তারা তাদের চারপাশের লোকদের প্রশংসা জয় করে নিতে পারে, যা তাদের ভাল কাজ করে চলার তাগিদকে অনুপ্রাণিত করতে পারে। আপনার মার্চে জন্মানো শিশুটি বড় হয়ে ওঠার সময় যদি স্বেচ্ছাসেবামূলক ক্রিয়াকলাপে অংশ নেয় কিম্বা দরিদ্র মানুষের সাহায্যার্থে, প্রয়োজনে সে যদি তার পথ ছেড়ে সেদিকে চলে যায়, সেক্ষেত্রে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আপনার খাঁটি অন্তরের ছোট্ট মানুষটি খুব কমই স্বার্থপর হয়ে উঠতে পারে তবে সে যদি স্বার্থপরতার কিছু করে থাকে, আশ্বাস্ত হন, সেটি করার পিছনেও তবে নিশ্চিত কোনও দৃঢ় কারণ থাকবে। তবুও, তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করা এবং তাকে শেখানো ভাল যে তার উদারতা সর্বদা তার প্রভাবশালী বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত।

4.তারা আশাবাদী হয়ে থাকে

মার্চজন্মগ্রহণকারী শিশুদের মধ্যে একটি উজ্জ্বল চরিত্র থাকে যা সকলের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে।প্রত্যেকেই সুখী এবং আশাবাদী ব্যক্তিদের সাথে বাস করতে পছন্দ করেন আর আপনি নিশ্চিন্ত হতে পারেন কারণ আপনার মার্চ মাস জন্মে থাকা শিশুটি সকলেরই পছন্দের ব্যক্তি হয়ে উঠবে! জীবনের প্রতি তাদের একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে এবং তারা অনুকূল সময়ের সন্ধানে থাকে এবং এমনকি এমন পরিস্থিতিতেও, যখন তারা তা অর্জনের চেষ্টা চালায়।এখন, এটি হল এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা আমাদের মার্চে জন্ম গ্রহণকারী শিশুদের বৈশিষ্ট্যগুলি থেকে গ্রহণ করা উচিত