প্রকৃতিতে
শীতের আমেজ। হেমন্তের শীতল হাওয়া বইতে শুরু করেছে। শীতের ভোরে কাঁথা
মুড়ি দিয়ে ঘুমাতেই বেশি ভালো লাগে। কিন্তু স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে
প্রাতর্ভ্রমণের জন্য আদর্শ যেন শীতের ভোর। শীতের রোদ গ্রীষ্মের মতো প্রখর
থাকে না বলে অস্বস্তি কম হয় এবং অনেকক্ষণ হাঁটলেও ক্লান্তি ভর করে না। এই
মিষ্টি রোদ শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘ডি’-এর জোগান দেয়, যা ক্যালসিয়াম
ধরে রেখে হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে। ভোরের স্নিগ্ধ বাতাসে নিয়মিত
হাঁটার অভ্যাস আপনাআপনিই কমিয়ে দেবে আপনার শরীরের মেদ।পরামর্শ:
সকালের চেয়ে বিকেলে হাঁটা বেশি ভালো। বিকেলে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকে, মাংসপেশিগুলোর নড়াচড়া স্বাচ্ছন্দ্যে হয়। কিন্তু অধিকাংশ সময় দেখা যায়, যাঁরা বিকেলে হাঁটেন তাঁরা অনিয়মিত। নানা কারণে বিকেলে হাঁটা হয়ে ওঠে না। সপ্তাহের সাত দিন না হলেও অন্তত পাঁচ দিন ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট করে হাঁটা উচিত। শীতের দিনের জন্য হাঁটার সময়-ধরন বদলের কোনো প্রয়োজন নেই। যাঁদের অ্যাজমা, হৃদ্রোগ রয়েছে তাঁরা বিকেলে হাঁটতে পারেন। হাঁটলে ঘাম হবেই, ঘাম মোছার জন্য সঙ্গে তোয়ালে রাখতে পারেন।
No comments:
Post a Comment