Saturday, October 29, 2022

প্রতিদিন ৩টি করে খেজুর খান



খেজুরে রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম। রক্তবাহী নালীর (ধমনী) গায়ে যখন ক্যালসিয়াম জমে জমে রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয় তখন এই পটাসিয়াম ধমনীর গায়ে জমে থাকা ক্যালসিয়ামকে সরিয়ে দিয়ে রক্ত চলাচলের পথ আবার স্বাভাবিক করে দেয়। একই সাথে রক্তের ক্ষতিকর (এলডিএল) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। এতে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। লিভার যখন টক্সিনের সঙ্গে যুদ্ধ করে আর পেড়ে ওঠে না এবং এতে শরীরে প্রচুর পরিমাণে কোলাজিন তৈরি হতে থাকে তখন খেজুর লিভারের এই দুরবস্থা থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসে এবং তাকে কর্মক্ষম রাখে। এতে লিভার সিরোসিস হওয়া থেকে লিভার রক্ষা পায়।

খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ, লিউটিন এবং জিয়াক্সানথিন। ভিটামিন-এ কর্নিয়াকে উজ্জীবিত রাখে এবং বিভিন্ন সমস্যা থেকে চোখকে রক্ষা করে। লিউটেন এবং জিয়াক্সানথিন (Lutein and zeaxanthin) এমন দু’টি পুষ্টি উপাদান যা চোখের জন্য ক্ষতিকর সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রে’কে ফিল্টার করে চোখেকে রক্ষা করে। তাই বলা হয়, খেজুর হলো চোখের জন্য এক ধরনের ভিটামিন। বিকেলের নাশতায় বা ইফতারে দুই-তিনটি খেজুর খেলে দেহে প্রচুর শক্তি পাওয়া যায়। খেজুরের ফসফরাস মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্যও অপরিহার্য। দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে পান করলে দেহের ক্লান্তিভাব থাকে না। খেজুর পরিপাক ক্রিয়া ভালো রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এ ছাড়া খেজুরের পটাসিয়াম দেহের ব্যথা নিরাময়ে এবং যেকোনো ইনফেকশন সারিয়ে তুলতে পারে। খেতে মিষ্টি হলেও প্রতিদিন খেজুর খেলে ওজন বাড়বে না বরং কমবে। খেজুর অথবা খেজুরের পানি প্রতিদিন সকালে অথবা ইফতারে খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

No comments:

Post a Comment